আমরা বিশ্বাস করি প্রতিটি মানুষ নিরাপদ, স্বচ্ছ ও আনন্দদায়ক বেটিং অভিজ্ঞতার অধিকারী। সেই বিশ্বাস থেকেই ju 30-এর জন্ম।
বাংলাদেশে অনলাইন বেটিংয়ের প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়লেও বিশ্বস্ত ও সহজলভ্য প্ল্যাটফর্মের অভাব ছিল। বেশিরভাগ সাইট বিদেশি ভাষায়, জটিল ইন্টারফেসে আর বাংলাদেশি পেমেন্ট সিস্টেমের সঙ্গে সামঞ্জস্যহীন। সেই সমস্যার সমাধান হিসেবেই ju 30-এর যাত্রা শুরু।
আমাদের লক্ষ্য একটাই — বাংলাদেশের প্রতিটি কোণের মানুষের কাছে নিরাপদ, স্বচ্ছ ও মজার বেটিং অভিজ্ঞতা পৌঁছে দেওয়া। ঢাকার অফিসপাড়া থেকে চট্টগ্রামের বন্দরনগরী, রাজশাহীর মাঠ থেকে সিলেটের চা-বাগান — ju 30 সবার জন্য।
ju 30-এ যোগ দিলে যা পাবেন
কীভাবে একটি ছোট স্বপ্ন আজ বাংলাদেশের বৃহত্তম বেটিং প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে
যারা ju 30-কে প্রতিদিন এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন
যখন ju 30 শুরু হয়েছিল, তখন অনেকে বলেছিলেন বাংলাদেশে এই ধরনের প্ল্যাটফর্ম চলবে না। মানুষ বিশ্বাস করবে না, টাকা দেবে না, নিরাপত্তা নিয়ে ভয় পাবে। কিন্তু আমরা জানতাম বাংলাদেশের মানুষ খেলাধুলা ভালোবাসেন, প্রযুক্তিতে আগ্রহী এবং সঠিক প্ল্যাটফর্ম পেলে অবশ্যই এগিয়ে আসবেন।
আজ সেই বিশ্বাস সত্য প্রমাণিত। ju 30-এ এখন ৫ লক্ষেরও বেশি সদস্য। প্রতিদিন লক্ষাধিক বেট হয়। বাংলাদেশ-ভারত ক্রিকেট ম্যাচের দিন আমাদের সার্ভার রেকর্ড ট্র্যাফিক সামলায়। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের কোনো বড় ম্যাচে আমাদের লাইভ বেটিং সেকশনে হাজার হাজার মানুষ একসাথে অ্যাক্টিভ থাকেন।
অনেক বিদেশি বেটিং প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশে কাজ করার চেষ্টা করেছে, কিন্তু সফল হয়নি। কারণ তারা বাংলাদেশের মানুষকে বোঝেনি। বাংলাদেশের মানুষ বিকাশে লেনদেন করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন, ব্যাংক ট্রান্সফারে নয়। তারা বাংলায় নির্দেশিকা চান, ইংরেজিতে নয়। তারা চান রাত ৩টায়ও কেউ সাহায্য করুক, শুধু অফিস আওয়ারে নয়।
ju 30 এই সব দিক থেকে আলাদা কারণ আমরা নিজেরাই বাংলাদেশি। আমাদের দলের বেশিরভাগ সদস্য ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও রাজশাহীর মানুষ। আমরা জানি বাংলাদেশের ক্রিকেটপাগল মানুষের কাছে T20 বিশ্বকাপ কতটা গুরুত্বপূর্ণ। আমরা জানি ঈদের সময় মানুষ বিশেষ অফার খোঁজেন। আমরা জানি গ্রামাঞ্চলে নেটওয়ার্ক সমস্যা থাকলে অ্যাপ কীভাবে হালকা রাখতে হয়।
ju 30-এ যোগ দেওয়ার আগে একটা কথা স্পষ্ট জানাতে চাই — আমরা চাই আপনি মজা পান, শুধু টাকা কামান না। বেটিং বিনোদনের একটি মাধ্যম, জীবিকার উৎস নয়। তাই আমরা প্রথম দিন থেকেই দায়িত্বশীল বেটিংকে প্ল্যাটফর্মের কেন্দ্রে রেখেছি।
আমরা বিশ্বাস করি একজন সুখী ও সুস্থ ব্যবহারকারী দীর্ঘমেয়াদে আমাদের প্ল্যাটফর্মের জন্যও ভালো। তাই দায়িত্বশীলতা আমাদের ব্যবসায়িক কৌশলের অংশ, শুধু নিয়মের খাতিরে নয়।
প্রতি বছর ju 30-এর মোট রাজস্বের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ প্রযুক্তি উন্নয়নে বিনিয়োগ করা হয়। আমাদের সার্ভার বাংলাদেশের সময় অনুযায়ী সর্বোচ্চ ট্র্যাফিকের সময়েও নিরবচ্ছিন্নভাবে চলে। ৯৯.৯% আপটাইম রেকর্ড রক্ষা করা হচ্ছে।
সাইবার নিরাপত্তায় আমরা আন্তর্জাতিক মানের প্রোটোকল অনুসরণ করি। প্রতি তিন মাসে বাইরের বিশেষজ্ঞ দিয়ে সিকিউরিটি অডিট করানো হয়। কোনো ডেটা লিক বা নিরাপত্তা লঙ্ঘনের ইতিহাস আমাদের নেই — এটা আমাদের গর্বের বিষয়।
আগামী কয়েক বছরে ju 30 আরও বড় হওয়ার পথে আছে। আমরা ভার্চুয়াল স্পোর্টস, আরও বেশি ই-স্পোর্টস মার্কেট এবং একটি সম্পূর্ণ নতুন লয়্যালটি প্রোগ্রাম আনতে যাচ্ছি। বাংলাদেশের বাইরে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য বাজারেও আমাদের পরিকল্পনা আছে।
কিন্তু যতই বড় হই না কেন, বাংলাদেশের মানুষই আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার থাকবে। ju 30-এর প্রতিটি সিদ্ধান্তে, প্রতিটি ফিচারে, প্রতিটি অফারে — বাংলাদেশের ব্যবহারকারীর কথা সবার আগে ভাবা হয়। এটাই ছিল আমাদের শুরুর প্রতিশ্রুতি, এটাই থাকবে শেষ পর্যন্ত।